শীতলকুচি, ২৫ আগস্ট
অঞ্চল সমিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে পোস্টার, দলের অন্দরেই কি অসন্তোষ?
রাতের অন্ধকারে বিজেপির অঞ্চল সমিতিকে ঘিরে বিতর্কিত পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল শীতলকুচির লালবাজার এলাকায়। শুক্রবার রাতে লালবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের গেটে এবং লালবাজার হাটের একাধিক দোকানে কে বা কারা ওই পোস্টার লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। শনিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই এলাকায় শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা।
পোস্টারে কী লেখা ছিল?
জানা গিয়েছে, পোস্টারে মূলত বিজেপির অঞ্চল সমিতিতে ‘৪ তারিখের পর’ কারা জায়গা পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে এই বিষয়ে জবাবও চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পোস্টারগুলি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা। অঞ্চল সমিতি গঠন এবং সেখানে পদ পাওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে দলের ভিতরে কোনও অসন্তোষ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
তবে কি দলের অন্দরেই ক্ষোভ?
রাতের অন্ধকারে কারা পোস্টার লাগাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পোস্টার লাগানোর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। এমনকি দলের কাছেও এই বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে।
তাহলে কারা লাগাল এই পোস্টার?
দলের অভ্যন্তরীণ কোনও সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ থেকেই কি এই ঘটনা? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ? আপাতত উত্তর মেলেনি কোনও প্রশ্নেরই।
কী বলছে বিজেপি?
এ বিষয়ে লালবাজার অঞ্চল বিজেপির কনভেনার যামিনী বর্মন জানান, অঞ্চল সমিতি তৈরি করা দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত। এই বিষয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের হাতে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বলেই দাবি তাঁর।
পোস্টার লাগানোর ঘটনাতেও দলের কোনও ভূমিকা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। যামিনী বর্মনের কথায়, কে বা কারা পোস্টার লাগিয়েছে, সে বিষয়েও তাঁদের কাছে কোনও তথ্য নেই।
তিনি আরও জানান, দলের ঊর্ধ্বে স্থানীয় নেতৃত্ব নয়। ফলে অঞ্চল সমিতি নিয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই নিয়েছে বলে দাবি বিজেপির।
রাতের অন্ধকারে লাগানো এই পোস্টারকে কেন্দ্র করে এখন শীতলকুচির লালবাজারে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। পোস্টারের নেপথ্যে কারা, আর ‘৪ তারিখের পর’ নিয়ে কেনই বা প্রশ্ন তোলা হল—এই মুহূর্তে সেই উত্তরই খুঁজছে রাজনৈতিক মহল।

