কোচবিহার, ৩১ ডিসেম্বর :
ডাকযোগে নথি ফেরানো মানবিক চোর আসলে বেরোলো প্রাক্তন স্ত্রী। ডিভোর্সর পর বাড়ি ছাড়ার সময় ভুলবশত নথিগুলি ব্যাগে ঢুকিয়ে নিয়ে আসেন বলে দাবি করেছেন তিনি। কোচবিহারের পার্সেল কান্ডের নয়া মোড় ঘিরে ফের ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই কথার লড়াই শুরু হয়েছে প্রাক্তন দম্পতির।
গত ২৭ তারিখ কোচবিহারের বাসিন্দা অর্ধেন্দু বনিকের বাড়িতে একটি ডাকে একটি পার্সেল আসে। ঠিকানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নাম দেখে খানিকটা আশ্চর্য হয়েছিলেন অর্ধেন্দু। সেটি খুলতেই আরও বিস্মিত হন তিনি। পার্সেলের ভেতরের ২০১৯ সালে চুরি যাওয়া নিজের নথিপত্র। ভেবেছিলেন কোনো সহৃদয় চোর SIR আবহে চুরি করা তার নথিপত্র ফেরত পাঠিয়েছেন। তবে আসলে এর উঠে এলো দাম্পত্য কলহের গল্প।
অর্ধেন্দু বনিকের প্রাক্তন স্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানান, ডিভোর্সর সময় বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাবার সময় ভুল করে সেগুলি নিয়ে এসেছিলাম। এতদিন ডিভোর্সর মামলা চলায় বিষয়টি সামনে আনিনি। তবে এখন মনে হলো যার জিনিস তাকে ফেরত দেওয়া উচিত। তাই ডাক বিভাগে অন্য পরিচয় দিয়ে ৪৫০ টাকা খরচ করে সেগুলি পাঠিয়ে দিয়েছে। এর পরেও তাকে চোর অপবাদ শুনতে হয়েছে বলে আক্ষেপ করেছেন তিনি।
যদিও এই বিষয়ে অর্ধেন্দু বনিকের বক্তব্য, না বলে কিছু নিয়ে গেলে সেটা চুরিরই সমান। এর আগেও আমি ওর কাছে জানতে চেয়েছি এই বিষয়ে। তবে সে না করে এসেছে। এর জন্য এতদিন বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নথি সমস্যায় ভুগতে হয়েছে আমাকে।

