নিজস্ব সংবাদদাতা , ২০ মে
আগামীকাল ২১ মে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মূলত দুই রকম থাকবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে, দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর ও ভ্যাপসা গরম বজায় থাকবে এবং তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
অঞ্চলের ভিত্তিতে বিস্তারিত পূর্বাভাস:
উত্তরবঙ্গ: দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মতো জেলাগুলোতে বিক্ষিপ্ত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রবিদ্যুতের সতর্কতা রয়েছে। আকাশ সাধারণত মেঘলা থাকবে এবং দমকা হাওয়া বইতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গ: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুরে রোদ-মেঘের খেলা চললেও গরম ও আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। তবে উপকূলবর্তী কিছু এলাকায় হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকতে পারে।
২১ মে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ তুমুল বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রবল জলীয় বাষ্প প্রবেশের কারণে উত্তরবঙ্গের উপ-হিমালয় সংলগ্ন এলাকাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির দাপট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
২১ মে উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক আবহাওয়া :
বৃষ্টির পূর্বাভাস: দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় দিনভর দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বেশ কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঝড় ও বজ্রপাত: বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। খোলা মাঠে বজ্রপাতের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।
দক্ষিণের জেলাগুলি: উত্তরবঙ্গের দক্ষিণ অংশের জেলাগুলিতে (যেমন- মালদা, দুই দিনাজপুর) বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিকর গরম বজায় থাকবে।
সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি: পাহাড়ের সংবেদনশীল এলাকায় ছোটখাটো ভূমিধস হতে পারে। প্রবল বৃষ্টির সময় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া এবং রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।
আগামীকাল, ২১ মে ২০২৬ তারিখে কোচবিহারে ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬° সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। বাতাসে উচ্চ আর্দ্রতার কারণে গরম এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি বজায় থাকবে।
আর্দ্রতা: সারাদিন ধরে বাতাসের গড় আর্দ্রতা থাকবে প্রায় ৮২%, যার ফলে দিনের বেলা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০° হলেও গরমের অনুভূতি প্রায় ৩৯° সেলসিয়াসের মতো লাগতে পারে।
বাতাসের গতি: প্রধানত পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ কিমি বেগে হাওয়া বইতে পারে।
সতর্কতা: সকাল ও বিকেলের দিকে বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় বাইরে বেরোনোর সময় অবশ্যই সাথে ছাতা রাখা বাঞ্ছনীয়।

