০৫.০৫.২৫
জয়দীপ রায়,কোচবিহার :
জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে এসে বিক্ষুদ্ধ কোচবিহার জেলার বিজেপির নেতৃত্বরা। জেলাশাসক তাঁদের সাথে দেখা করতে চায়নি বলে অভিযোগ। ফলে ডিএম অফিসের গেটে বসেই নিজেদের ক্ষোভ জাহির করে তারা।
উল্লেখ্য কোচবিহার জেলার পাকিস্তানি নাগরিকদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিতাড়িত করার দাবিতে কোচবিহারের জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে এসেছিলো জেলার বিজেপি নেতৃত্বরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কোচবিহার জেলার বিজেপির পাঁচ বিধায়ক, জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন সহ অন্যানো নেতৃত্বরা। তবে অভিযোগ, জেলাশাসক তাদের সাথে দেখা করতে চাননি। উল্টে তাদেরকে মাইনোরিটি ভবনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হয়েছিল। আর এতে ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন, বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন সহ অন্যানো বিজেপি বিধায়ক ও নেতৃত্বরা। তাদের অভিযোগ, এর আগেও একাধিকবার জেলাশাসকের সাথে দেখা করতে এলে জেলা শাসক তাদের সাথে দেখা করেনি । আজ আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো । ফলে ডিএম অফিসের গেটের সামনে বসেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এভাবে ঘন্টা দুয়েক অবস্থান বিক্ষোভ চলার পরেও জেলাশাসক দেখা করতে না আসলে অবশেষে বাধ্য হয়ে ফিরে যান বিজেপি নেতৃত্বরা। যাওয়ার আগে সাংবাদিক দের মুখমুখী হয়ে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপির কোচবিহার জেলার সভাপতি অভিজিৎ বর্মন। তিনি বলেন, কাশ্মীরের জঙ্গিহানার ঘটনার প্রতিবাদে ভারতে থাকা সকল পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা বাতিল করে বিতাড়িত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার । সেইরূপ কোচবিহার জেলাতে যে সকল পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে দেশ থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে আমরা আজ জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করতে এসেছিলাম । তবে আশ্চর্য হয়ে দেখলাম জেলাশাসক আমাদের সাথে দেখা করল না । উল্টে সংখ্যালঘু দপ্তরে আমাদের স্মারকলিপি জমা করতে বলা হয়েছিল। এর আগেও একাধিক বার তিনি আমাদের সাথে দেখা করতে চাননি । আজ আমরা প্রায় ঘন্টা দুয়েক বসে থাকলাম ডি এম অফিসের গেটে। আমার সাথে কোচবিহার জেলার পাঁচজন বিধায়ক ও অন্যান্য নেতৃত্বরা ছিলেন । ঘন্টা দুয়েক কেটে যাবার পরেও তিনি আমাদের সাথে দেখা করলেন না। এটা চূড়ান্ত অসভ্যতার পরিচয়। তার এই কর্মকান্ডকে ধিক্কার জানাই ।

