দিনহাটা, ১ সেপ্টেম্বর
সকাল তখন সবে শুরু হয়েছে। আচমকাই তুলার গোডাউন থেকে দেখা গেল আগুনের লেলিহান শিখা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। তুলার মতো দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। কীভাবে আগুন লাগল? অল্পের জন্য কি বড়সড় বিপদ এড়ানো গেল?
ঘটনাটি দিনহাটা-১ ব্লকের বড়োনাচিনা পশ্চিম এলাকার। মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টা নাগাদ সাবেদুল হকের বাড়ির পিছনে থাকা একটি তুলার গোডাউনে আচমকাই আগুন লাগে। প্রথমে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং নিজেদের উদ্যোগেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন।
কিন্তু গোডাউনে বিপুল পরিমাণ তুলা মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দমকল বিভাগে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা দেখে পরে আরও একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে।
দুটি ইঞ্জিন একসঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে নামে। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকলকর্মীরা। তবে ততক্ষণে গোডাউনের একাংশ এবং ভিতরে মজুত থাকা বেশ কিছু তুলা আগুনে পুড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সোয়েব আক্তার জানান, হঠাৎই পাশের বাড়ির তুলার গোডাউন থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান তাঁরা। এরপর আর দেরি না করে দমকল বিভাগে খবর দেওয়া হয়।
তবে বড়সড় বিপদ এড়ানো গেলেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—ঠিক কী কারণে আগুন লাগল ওই তুলার গোডাউনে? গোডাউনের মালিক সাবেদুল হক জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়, এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে দাহ্য তুলা মজুত থাকা গোডাউনে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হল, তা নিয়েই এখন শুরু হয়েছে জল্পনা।

