বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। উৎসব পার্বণ মানেই খাওয়া-দাওয়ার মেতে ওঠেন ভোজন রসিক বাঙ্গালী সমাজ। যেকোনো উৎসব হোক বাঙালির খাবারের থালায় যদি ইলিশ মাছ না থাকে তাহলে কোথায় যেন একটা খামতি থেকে যায়। নতুন বছর হোক কিংবা জামাইষষ্ঠী,দুর্গাপূজা বা ভাইফোঁটা বাঙালি বাজারে গিয়েই প্রথমেই খুজবে ইলিশ মাছ। সে যত দামি হোক না কেন বছরের বিশেষ দিনগুলোতে বাঙালির বাড়ির রন্ধনশালার ইলিশের গন্ধে ছেয়ে যাবে গোটা বাড়ি। আর ইলিশ যদি বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। নববর্ষে কোচবিহার ভবানীগঞ্জ মাছ বাজারে এবার উঠেছে বাংলাদেশের ইলিশ এমনটি দাবী করছেন মাছ বিক্রেতারা। বাংলাদেশের ইলিশের পাশাপাশি কোলাঘাট এবং ফারাক্কার ইলিশ মাছও রয়েছে। মাছের ওজন অনুযায়ী দাম ধার্য করা হয়েছে। হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার এবং ২২০০ টাকা পর্যন্ত। নববর্ষের প্রথম দিনে কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ দেখতে পেয়ে খুশি কোচবিহারের ভোজন রসিক বাঙালিরা। মাছ বিক্রেতারা বাংলাদেশের ইলিশ নিয়ে মাতামাতি করছেন তবে কিছু কিছু ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা প্রশ্ন চিহ্ন থাকলেও তারা কিন্তু আনন্দের সহিত বাংলাদেশের ইলিশ মাছ কিনছেন। আবার অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন দাম একটু বেশি থাকায় মধ্যবিত্তদের পক্ষে বেশি দাম দিয়ে ইলিশ মাছ কেনা একটু কষ্টকর।

