জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার, ১২ ফেব্রুয়ারী :
বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিল এক্স-কেএলও লিঙ্কম্যান সংগঠন। নির্দিষ্ট দিনে দুই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লিঙ্কম্যানরা রাস্তায় নেমে নিজেদের দাবির পক্ষে স্লোগান তোলেন।
আন্দোলনকারীদের মূল দাবি তিনটি— এক্স-কেএলও লিঙ্কম্যানদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, উপযুক্ত পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং আট মাসের বকেয়া ভাতা অবিলম্বে প্রদান করতে হবে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাদের দাবি, বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার লিঙ্কম্যান স্থায়ী কাজ থেকে বঞ্চিত। বাম আমল থেকেই তাদের এই লড়াই চলছে বলেও জানান সংগঠনের সদস্যরা। দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে ভোট বয়কটের পথেও হাঁটতে পারেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে যোগ দিতে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ ফুলবাড়ি চুনাভাটি এলাকায় জড়ো হন। তবে সেখানেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। এরপর আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তরফে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে উত্তরকন্যায় পৌঁছে স্মারকলিপি পেশ করতে চেয়েছিলেন।
পরবর্তীতে সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকজন প্রতিনিধি উত্তরকন্যায় গিয়ে দাবি-পত্র জমা দেন। এক্স-কেএলও সংগঠনের সদস্য বিধূভূষণ রায় জানান, “আমরা উত্তরকন্যায় আমাদের দাবি পত্র পেশ করেছি। আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিধানসভা ভোটের আগেই আমাদের দাবি পূরণের চেষ্টা করা হবে।”
তবে দ্রুত দাবিগুলি মানা না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার: বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিল এক্স-কেএলও লিঙ্কম্যান সংগঠন। নির্দিষ্ট দিনে দুই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লিঙ্কম্যানরা রাস্তায় নেমে নিজেদের দাবির পক্ষে স্লোগান তোলেন।
আন্দোলনকারীদের মূল দাবি তিনটি— এক্স-কেএলও লিঙ্কম্যানদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, উপযুক্ত পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং আট মাসের বকেয়া ভাতা অবিলম্বে প্রদান করতে হবে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাদের দাবি, বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার লিঙ্কম্যান স্থায়ী কাজ থেকে বঞ্চিত। বাম আমল থেকেই তাদের এই লড়াই চলছে বলেও জানান সংগঠনের সদস্যরা। দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে ভোট বয়কটের পথেও হাঁটতে পারেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে যোগ দিতে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ ফুলবাড়ি চুনাভাটি এলাকায় জড়ো হন। তবে সেখানেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। এরপর আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তরফে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে উত্তরকন্যায় পৌঁছে স্মারকলিপি পেশ করতে চেয়েছিলেন।
পরবর্তীতে সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকজন প্রতিনিধি উত্তরকন্যায় গিয়ে দাবি-পত্র জমা দেন। এক্স-কেএলও সংগঠনের সদস্য বিধূভূষণ রায় জানান, “আমরা উত্তরকন্যায় আমাদের দাবি পত্র পেশ করেছি। আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিধানসভা ভোটের আগেই আমাদের দাবি পূরণের চেষ্টা করা হবে।”
তবে দ্রুত দাবিগুলি মানা না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

