জলপাইগুড়ি, ২১ মে :
চুরি ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালী থানার পুলিশ। পাশাপাশি আর্থিক প্রতারণার শিকার হওয়া অভিযোগকারীদের টাকাও ফিরিয়ে দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার এক বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে। মোবাইল ও টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি ও খুশির মুখ দেখা যায় উপস্থিত সকলের মধ্যে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জলপাইগুড়ি শহর ও সংলগ্ন এলাকায় প্রায়ই মোবাইল চুরির অভিযোগ উঠে। কখনও বাড়ি থেকে, আবার কখনও বাজার বা জনবহুল স্থান থেকে মোবাইল চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালী থানার পুলিশ মোট ৪৩টি হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে। এরপর সেগুলি শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় থানার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এছাড়াও, আর্থিক প্রতারণার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল থানায়। সেই অভিযোগগুলির তদন্ত করে পুলিশ মোট ১৯ জন প্রতারিত ব্যক্তির প্রায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৪১ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এদিন তাঁদের থানায় ডেকে সেই অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।উল্লেখযোগ্যভাবে, এক পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীও আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন। তাঁর আংশিক টাকা উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্ত এখনও চলছে। মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি টোটো চালক রঞ্জিত মণ্ডলবলেন, “আমার টোটো থেকে মোবাইল চুরি হয়ে গিয়েছিল। সেটি ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে।” অন্যদিকে, শহরের বাসিন্দা অমৃতা সরকার জানান, “ফেব্রুয়ারি মাসে বাসে মোবাইল হারিয়ে যায়। থানায় অভিযোগ করেছিলাম। আজ মোবাইল ফিরে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।” এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানার আইসি মৌমান চক্রবর্তী সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।

