নিজস্ব সংবাদদাতা ,৭ জুলাই
নিম্নচাপের জেরে এবার উত্তরে বাড়বে বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা
উত্তরবঙ্গের দিকে সরছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা, আগামী ৫ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।গভীর নিম্নচাপ মধ্য ভারতের দিকে সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নচাপ অক্ষরেখাও উত্তরবঙ্গের দিকে সরে যাচ্ছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিনে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
দক্ষিণবঙ্গে মেঘলা আকাশ ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা|
🔴উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া :-
*************************
উত্তরবঙ্গে ৮ জুলাই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল ও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে কোথাও কোথাও অত্যন্ত ভারী বৃষ্টি (২০ সেন্টিমিটারের বেশি) হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পাহাড়ি এলাকায় ধস নামাতে পারে।
তাপমাত্রা: তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে।
বাতাস: ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
নদীর পরিস্থিতি: তিস্তা, তোরষা, জলঢাকা ও রায়ডাক নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি: দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।
ঝড় ও বজ্রপাত: পুরো উত্তরবঙ্গ জুড়েই বৃষ্টির সাথে সাথে বজ্রপাত এবং ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। [1]
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা: ক্রমাগত এই বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি এলাকা অর্থাৎ দার্জিলিং ও কালিম্পঙে ধস (Landslide) নামার আশঙ্কা রয়েছে। এর পাশাপাশি তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা ও রায়ডাক নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইতে পারে এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
তাপমাত্রা: তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে।
বাতাস: ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
নদীর পরিস্থিতি: তিস্তা, তোরষা, জলঢাকা ও রায়ডাক নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যেসব জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি:
📍 দার্জিলিং
📍 কালিম্পং
📍 জলপাইগুড়ি
📍 আলিপুরদুয়ার
📍 কোচবিহার
🔴দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া :-
***************************
আজ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়** কোথাও হালকা, কোথাও মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে সব এলাকায় একসঙ্গে বা সারাদিন টানা বৃষ্টি হবে না। স্থানভেদে আবহাওয়ার তারতম্য থাকবে।
দক্ষিণবঙ্গে সামগ্রিকভাবে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও, পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলিতে পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় বৃষ্টি কিছুটা বেশি থাকতে পারে।
বৃষ্টির পূর্বাভাস: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং বর্ধমানসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। [
আকাশের অবস্থা ও তাপমাত্রা: দিনভর আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করতে পারে।
ঝোড়ো হাওয়া: বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সময় কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি গতির দমকা হাওয়া বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মৎস্যজীবীদের সমুদ্রের আবহাওয়া প্রতিকূল থাকার কারণে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের যেসব জেলায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা:
📍 নদিয়া
📍 মুর্শিদাবাদ
📍 উত্তর ২৪ পরগনা
📍 দক্ষিণ ২৪ পরগনা
🔴কোচবিহারের আবহাওয়া :-
******************************
আগামীকাল ৮ জুলাই কোচবিহারে সাধারণত মেঘলা আকাশসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (IMD) এবং স্থানীয় আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, এই অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামীকাল অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩১° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।
আর্দ্রতা: সারাদিন বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ প্রায় ৮৬% থেকে ৯৬% পর্যন্ত থাকতে পারে, যার ফলে বৃষ্টি না থাকলে বেশ ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে।
বাতাসের গতি: প্রধানত দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: আগামীকাল ভোর ০৪:৪৫ মিনিটে সূর্যোদয় এবং সন্ধে ০৬:২৯ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে।

