আলিপুরদুয়ার, ২৮ মে:
জয়গাঁর পাশাখাগামী সড়কের ধারে স্থলবন্দর তৈরির পরিকল্পনা কেন্দ্রের। সেজন্য ইতিমধ্যেই কিছু বছর পূর্বে পাশাখাগামী সড়কের ধারে থাকা গোটিবাড়ি এলাকার সরকারি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও প্রশাসন সূত্রে খবর। তবে সেই জমিতে দেশ স্বাধীনের আগের থেকেই রয়েছে জনবসতি । ফলে স্থলবন্দর তৈরির জন্য নিজেদের ভিটেমাটি ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বাসিন্দাদের সাথে বৈঠক করেন জেলা ও ব্লক প্রশাসনের কর্তারা এবং কালচিনি বিধায়ক বিশাল লামা। স্থলবন্দর হলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি, অন্যান্যরাও কর্মসংস্থান পাবেন এবং এলাকার উন্নয়নও হবে।পাশাপাশি, মেঘালয়ের ডাউকির স্থলবন্দরের ভিডিও দেখিয়েও বাসিন্দাদের বোঝানো হয়। তবে প্রশাসনের প্রয়াসের পরও জমি ছাড়াতে নারাজ অধিকাংশ বাসিন্দারাই। জানা গিয়েছে, গত ২০২১ সালে পাশাখাগামী সড়কের ধারে থাকা এই গোটিবাড়ি এলাকার প্রায় ৩০ একর জমি ল্যান্ডস পোর্টস অফ অথরিটিকে হস্তান্তর করেছে তৎকালীন রাজ্য সরকার। এরপর সে সময়ও সেখানে প্রশাসনের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন বাসিন্দারা। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন বর্তমান শাসক দলের বিধায়ক বিশাল লামা। এ বিষয়ে এলাকার বাসিন্দারা বলেন, “এর আগেও প্রশাসন তরফে আমাদের থেকে জমির কিছুটা অংশ নেওয়া হয়েছিল। সেসময় একাধিক আশ্বাসের পরও ক্ষতিপূরণ মেলেনি।তাহলে কোন ভরসায় আমরা আমাদের জমি ছাড়বো।” বাসিন্দারা আরও জানান, ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা এখানে রয়েছি। চাষাবাদ করেই আমাদের সংসার চলে।তবে বন্যপ্রাণীর তান্ডবে ইতিমধ্যে অধিকাংশ বাসিন্দা গ্রাম ছাড়লেও তাদের জমি এখনও রয়েছে, এছাড়া বেশ কিছু পরিবার এখনও সেখানে বসবাস করছেন।আমাদের জমির বদলে অন্য জমিতে তারা স্থলবন্দর তৈরি করুক।” যদিও, এ বিষয়ে বিধায়ক বিশাল লামা বলেন, “বাসিন্দাদের ক্ষতি করে কোনো নির্মাণকাজ হবে না। আমরাও তাদের সাথে আছি। ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন পাক সেটাই মূলত চেষ্টা করছি আমরা।”

