জলপাইগুড়ি , ১২ আগস্ট
জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এবার সদর মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের ১৫ জন পুর প্রতিনিধি। বুধবার তাঁরা সদর মহকুমা শাসকের সঙ্গে দেখা করে পুরসভার নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। কাউন্সিলরদের অভিযোগ, প্রায় দশদিন ধরে পুরপ্রধান পুরসভায় আসছেন না। এর ফলে পুরসভার দৈনন্দিন কাজকর্ম ও নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন কাজের জন্য পুরসভায় এসে পরিষেবা না পেয়ে নাগরিকদের ফিরে যেতে হচ্ছে বলেও দাবি তাঁদের। এর আগে মঙ্গলবার ১৫ জন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পুর প্রতিনিধি বৈঠকে বসেছিলেন। তাঁদের দাবি, বর্ষার মরশুমে নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
কাউন্সিলরদের আরও দাবি, গত ৩০ জুলাই পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলেও এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে বৈঠক ডাকেননি তিনি। নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বৈঠক না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুর প্রতিনিধি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও বৈঠক ডাকা হয়নি। যেভাবে ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে, সেই বিষয়টিও দেখতে বলা হয়েছে। আমরা পুর আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছি।”
৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুর প্রতিনিধি সন্দীপ মাহাতো বলেন, “বর্ষার মরশুম চলছে। নাগরিক পরিষেবা যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়টি সদর মহকুমা শাসককে জানানো হয়েছে। চেয়ারম্যান পুরসভায় না আসায় পরিষেবা নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।”
কালীঘাটপন্থী টাউন ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দলের নির্দেশেই সদর মহকুমা শাসকের কাছে বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে। নাগরিক পরিষেবা যাতে স্বাভাবিক থাকে, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।”

