শিলিগুড়ি, ১২ মার্চ :
বাগডোগরা থানার অন্তর্গত গোসাইপুরের বুড়ি বালাসন এলাকার কাছে রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। মৃত যুবকের নাম বিজয় বলে জানা গিয়েছে। তিনি গোসাইপুর এলাকারই বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজের সামনে একটি কদম গাছের কাছে তাঁর বাড়ি ছিল। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে একজন ব্যক্তি দূর থেকে ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন রেললাইনের পাশে যুবকের দেহ পড়ে রয়েছে এবং ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে রেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেলেও দেহ উদ্ধার বা পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি দেহ পড়ে থাকার মধ্যেই ওই লাইনে ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, গেটম্যানকে বিষয়টি জানানো হলেও শুরুতে কোনও সাড়া মেলেনি। পরে এলাকাবাসীরা প্রতিবাদ জানালে রেল সুরক্ষা বাহিনীর (আরপিএফ) কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত রেল ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানান স্থানীয়রা।
ছড়াল এলাকায়। মৃত যুবকের নাম বিজয় বলে জানা গিয়েছে। তিনি গোসাইপুর এলাকারই বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজের সামনে একটি কদম গাছের কাছে তাঁর বাড়ি ছিল। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে একজন ব্যক্তি দূর থেকে ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন রেললাইনের পাশে যুবকের দেহ পড়ে রয়েছে এবং ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে রেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেলেও দেহ উদ্ধার বা পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি দেহ পড়ে থাকার মধ্যেই ওই লাইনে ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, গেটম্যানকে বিষয়টি জানানো হলেও শুরুতে কোনও সাড়া মেলেনি। পরে এলাকাবাসীরা প্রতিবাদ জানালে রেল সুরক্ষা বাহিনীর (আরপিএফ) কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত রেল ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানান স্থানীয়রা।

