কোচবিহার, ২৫ আগস্ট
প্রতিদিনের মর্নিং ওয়াক। আর সেই হাঁটার পথেই এবার চোখ এলাকার নানা সমস্যা ও বেহাল পরিকাঠামোয়। পরিচ্ছন্নতা থেকে পরিবেশ—সবকিছু নিয়েই সরব হলেন ‘সনাতনী মর্নিং ওয়াক টিম’-এর সদস্যরা। ১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পিলখানা শ্মশান সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত মর্নিং ওয়াক করতে গিয়ে একাধিক সমস্যার ছবি সামনে আনেন তাঁরা।
পিলখানা শ্মশানে কি এবার মিলবে সোলার লাইট ও পানীয় জলের ব্যবস্থা? এমনই প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। টিমের সদস্যদের অভিযোগ, শ্মশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। তাই বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব দিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে পুরসভার কাছে।
শুধু পিলখানা শ্মশান নয়, নজরে এসেছে বাঘাযতীন বাগানের বেহাল পরিস্থিতিও। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থার কারণে এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি টিমের সদস্যদের। তাঁদের দাবি, প্রথমে এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সেখানে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো হোক। তৈরি করা হোক একটি সুন্দর ও সবুজ বাগান।
আর মরা তোর্ষা সংলগ্ন এলাকা?
সেখানেও একই ছবি। জমে থাকা আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এলাকার পরিবেশ যাতে আরও খারাপ না হয়, সেজন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
এদিন বিজেপি নেতা পঙ্কজ বুচ্চা বলেন, পিলখানা শ্মশানে দ্রুত সোলার লাইট ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে। একইসঙ্গে বাঘাযতীন বাগানের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি করে সেখানে গাছ লাগিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। মরা তোর্ষা সংলগ্ন এলাকার বেহাল পরিস্থিতিও দ্রুত পরিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।
তবে শুধু দাবি জানিয়ে থেমে থাকতে চান না ‘সনাতনী মর্নিং ওয়াক টিম’-এর সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, এলাকার সমস্যাগুলি পুরসভার কাছে তুলে ধরা হবে। এরপর বাস্তবে কতটা কাজ হচ্ছে, কাজ কবে শুরু হচ্ছে—সেদিকেও নজর রাখবেন তাঁরা।
মর্নিং ওয়াক কি শুধু শরীরচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? নাকি হাঁটার পথেই এবার বদলের দাবি আরও জোরালো হবে?
পরিচ্ছন্ন, সবুজ এবং সুন্দর এলাকা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই নিয়মিত এই নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন টিমের সদস্যরা।

