সাহেবের হাট , ১১ জুলাই
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে হামলার অভিযোগ, চাঞ্চল্য কোচবিহারে
ভাঙচুর–লুটপাটে উত্তপ্ত সাহেবেরহাট, দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে সরব পরিবার
ধারাবাহিক হামলায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা, তদন্তে পুলিশ
রাতের অন্ধকারে একের পর এক দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও মহিলাকে মারধরের অভিযোগে উত্তপ্ত কোচবিহারের সাহেবেরহাট। কোচবিহার–১ নম্বর ব্লকের সাহেবেরহাট এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী একটি মুদিখানা দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ।একের পর এক হামলার ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবারের অভিযোগ, শনিবার রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী একটি মুদিখানা দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ওই সময় বাড়িতে একা থাকা এক মহিলাকে তাঁর সন্তানদের সামনেই মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের অন্য সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। ঘটনায় গুরুতর আহত এক ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই পুলিশকে ফোনে জানানো হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবারও একই এলাকায় এক চিকিৎসকের দোকানে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত ওই চিকিৎসক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের ছেলের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করেই ওই হামলার সূত্রপাত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একই দুষ্কৃতী দল ধারাবাহিকভাবে এলাকার একাধিক দোকান ও পরিবারের ওপর হামলা চালাচ্ছে। ফলে সাহেবেরহাটজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির দাবি, কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত শত্রুতা না থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁদের নিশানা করা হচ্ছে, তার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
এ বিষয়ে এলাকার স্থানীয় প্রশাসনের এক বুথ সভাপতি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। কেউ যদি বাহুবল প্রদর্শনের চেষ্টা করে থাকে, তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।”ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিক হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী কারণে এই ঘটনাগুলি ঘটছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, বাড়িতে একা থাকা এক মহিলাকে তাঁর সন্তানদের সামনেই মারধর করা হয়। বাধা দিতে গেলে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও বেধড়ক প্রহার করা হয়। গুরুতর জখম এক ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই পুলিশকে ফোন করা হলেও অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবারও এলাকায় এক চিকিৎসকের দোকানে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। ওই চিকিৎসক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের ছেলের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করেই এই হামলা চালানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একই দুষ্কৃতী দল একের পর এক দোকানকে ও পড়িবার কে নিশানা করছে, ফলে সাহেবেরহাটজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ক্ষুব্ধ পরিবারগুলির প্রশ্ন—কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত শত্রুতা না থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁদের উপর এমন হামলা হচ্ছে? মহিলাদের উপর হাত তোলা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এলাকার স্থানীয় প্রশাসন বুথ সভাপতি জানান ঘটনাটি নিন্দনীয় |

