জলপাইগুড়ি ,২৮ জুলাই
তিন মাস থেকে বেতন ও পেনশন পাচ্ছেন না জলপাইগুড়ি পুরসভার সাফাই কর্মীরা৷ মঙ্গলবার পুরসভা ঘেরাও করে আন্দোলনে নামল সাফাই কর্মী একতা মঞ্চ। এদিন শহরে মিছিল করে পুরসভার মূল গেটের সামনে হাজির হন সাফাই কর্মীরা। কোতোয়ালি থানার পুলিশ বাহিনী আন্দোলনকারীদের মূল গেটে আটকানোর চেষ্টা করেন। বিক্ষোভ কারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেয় এরপর লোহার গেট ধাক্কা দিয়ে খুলে পুরসভা চত্বরে ঢুকে পড়ে। পুরসভার প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন দ্রুত তাঁদের দাবি মেটাতে হবে। শুধু আন্দোলন বিক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না সাফাই কর্মীরা। নোংরা বর্জ্য নিয়ে এসে পুরসভার প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশ পথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিলেন আন্দোলনকারীরা৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়, বর্জ্যের দুর্গন্ধে পুরসভার কর্মীরা বিপাকে পরলেন। পুরসভার পুরপ্রধানের পদত্যাগের দাবি তুললেন আন্দোলনকারীরা। সাফাই কর্মী একতা মঞ্চের আহ্বায়ক প্রতাপ রাউত বলেন, “পুর পরিষেবা যেমন পাওয়া যাচ্ছে না তেমনি তিন মাস থেকে বেতন ও পেনশন দেওয়া হচ্ছে না। প্রত্যেক মাসে বেতন সঠিক সময়ে দেওয়া হবে আশ্বাস দেওয়া হলেও বেতন দেওয়া হচ্ছে না। অনেকেই ঋণ নিয়েছেন সেই টাকা দিতে পাচ্ছেন না। এছাড়া গ্যাচুইটি, এরিয়া দেওয়া হচ্ছে না শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই প্রত্যেক মাসের নির্দিষ্ট দিনে বেতন ও পেনশন দেওয়া হোক।”
বার বার বলার পরেও সমস্যা মিটছে না। আজকে আন্দোলন করা হয়। নোংরা নিয়ে এসে পুরসভার সামনে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সাফাই কর্মচারী একতা সম্পাদক অভিষেক রাউত বলেন, ” দ্রুত সমস্যা না মিটলে এরপর আমরা বড় পোস্ট অফিস মোড়ে অবরোধ করা হবে। আজকে পুরসভার সামনে বর্জ্য ফেলে প্রতিবাদ জানানো হল।” পুরসভার পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তিন মাসের বেতন পায়নি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। নির্বাচনের কারণে রাজ্য সরকার থেকে পেনশনের টাকা পাঠায়নি। কিছুদিনের মধ্যে সেটা নিয়মিত হয়ে যাবে। পুরসভা মানবিক এই কারণে অজসর নিয়েছেন যেসকল কর্মী তাঁদের পিপিও না আসা সত্যেও আমরা পেনশন দিচ্ছি ছয় মাস থেকে। প্রয়োজনে আরও এক বছর বাড়ানো হবে। নোংরা ফেলেছে প্রচারে আসার জন্য। ”

