শিলিগুড়ি, ৪ সেপ্টেম্বর :
ভাঙারি গোডাউনের আড়ালে চলছিল কি অবৈধ মদ মজুতের কারবার? গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালাতেই গোডাউন থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ সিকিমের মদ। উদ্ধার হওয়া মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানের পর গোডাউনটি সিল করে দিয়েছে আবগারি দপ্তর।
শুক্রবার স্পেশাল এক্সাইজ কমিশনার, এনফোর্সমেন্ট, নর্থ বেঙ্গল সুজিত দাসের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, মাটিগাড়া থানার অন্তর্গত তুম্বাজোত-শিশুডাঙ্গি এলাকায় একটি ভাঙারি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিকিমের মদ মজুত করা হয়েছে। খবরের ভিত্তিতে সুজিত দাসের নেতৃত্বে জলপাইগুড়ি আবগারি বিভাগের একটি দল ওই গোডাউনে অভিযান চালায়।
অভিযানে গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় ৪৫ কার্টুন অবৈধ সিকিমের মদ। আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
তবে অভিযান চলাকালীন আবগারি আধিকারিকদের উপস্থিতির বিষয়টি টের পেয়ে গোডাউনে থাকা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর গোডাউনটি সিল করে দেয় আবগারি দপ্তর। উদ্ধার হওয়া সমস্ত মদের বোতল বাজেয়াপ্ত করে আবগারি দপ্তরের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে আবগারি আধিকারিকদের অনুমান, সিকিম থেকে মদ এনে রাতের অন্ধকারে শিলিগুড়ি কিংবা বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যেই ওই গোডাউনে মজুত করা হয়েছিল। তবে এই কারবারের নেপথ্যে কারা রয়েছে, কোথা থেকে মদ আনা হচ্ছিল এবং পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আবগারি দপ্তর।
ভাঙারি গোডাউনের আড়ালে এত বিপুল পরিমাণ মদ মজুতের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। গোডাউনের মালিক বা অভিযুক্তদের বিষয়ে আরও তথ্য তদন্তের পরই সামনে আসবে বলে আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।

