জলপাইগুড়ি, ৬ জানুয়ারী :
জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে ধুমধুমার পরিস্থিতি টাটা গাড়ির সার্ভিস সেন্টার ও শোরুমে। মারধোর করা হল শোরুমের কর্মচারীদের, ভাংচুর করা হল গাড়ি, তালা পরলো শোরুমের গেটে।উদাসীন পুলিশ প্রশাসন, মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ শোরুমের মালিক। দ্রুত সমস্যা সমাধান না হলে শোরুম বন্ধ করে দেওয়ার হুশিয়ারি। শাসক দলের নেতাদের মদতে জমি দখলের চেষ্টা দাবি বিজেপির। অভিযোগ অশিকার তৃনমুলের। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ করেছে। জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ ব্লকের বন্ধুনগরের ঘটনা।
জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ ব্লকের বন্ধুনগর এলাকায় ২০২১ সালে প্রায় ৮০ কোটি টাকা ব্যায়ে গড়ে উঠেছে টোটো মোটর্সের একটি শোরুম ও সার্ভিস সেন্টার।অভিযোগ।মোট ১২বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে এই শোরুম। ৩০০জনের মতো কর্মী এই শোরুমে কাজ করে। অভিযোগ গত এক মাস থেকে এই এই শোরুমের জয়গা দখল করছে কিছু ব্যক্তি। তারা জমিতে ঘর বানাচ্ছে পাশাপাশি গার্ড ওয়াল দিচ্ছে। শোরুম কর্তৃপক্ষ যখন বাঁধা দিতে যায় সেই সময় শোরুম কর্তৃপক্ষের উপর চড়াও হয় সেই ব্যক্তিরা। মারধোর করা হয় শোরুম কর্তৃপক্ষকে, ভাংচুর করা হয় গাড়ি, শোরুমের ভেতরে কর্মীদের আটকে গেটে তালা ঝুলিয়ে সেই ব্যক্তিরা বলে অভিযোগ। দীর্ঘ দুই ঘন্টা বাদে ভোরের আলো থানার পুলিশ এসে শোরুমের গেটের তালা খুলে কর্মীদের বেড় করে। গত এক মাস থেকে এই অত্যাচার চলছে বলে শোরুম কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। পুলিশকে জানিয়েও কনো লাভ হয়নি। উল্ট পুলিশ শোরুম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করছে। বাধ্য হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন শোরুম কর্তৃপক্ষ। তারা এবার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করে সমস্যা সমাধানের দাবি করবেন৷ অন্যথায় এই শোরুম বন্ধ করে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন শোরুমের মালিক বিশাল আগরওয়াল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বারবার শিল্পপতিদের কাছে আবেদন করেন রাংলায় শিল্প করার জন্য আর শিল্পপতিদের এই ভাবে হয়রানি করা হবে কি করে শিল্পপতিরা বাংলায় শিল্প করবে বলেও অভিযোগ করেন বিশাল বাবু। অন্যদিকে যার বিরুদ্ধে এই জমি দখলের অভিযোগ সেই রফিক হুসেন জানিয়েছেন কনো জমি দখলের বিষয় নেই। এটা আমার জমি আমার কাছে সমস্ত বৈধ কাগজ রয়েছে। উল্ট টাটা শোরুমের মালিক বিশাল আগরওয়ালের তার ৫৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছে। অভিযোগ পালটা অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য বন্ধু নগরে।
বিজেপি নেতা নিতাই মন্ডলের দাবি জমি দখলের পিছনে রয়েছে শাসক দলের নেতাদের মদত।কাটমানির কারনেই জমি দখলের চেষ্টা করেছে কিছু দুষ্কৃতী।
তৃনমুলের শ্রমিক সংগঠন জেলা সভাপতি তপন দে বলেন আমাদের বিষটি কেউ জানায়নি। আমাদের দলের কেউ জড়িত হলে প্রশাসন নিশ্চয়ই দেখবে। মালিক পক্ষ আমাকে বা স্থানীয় বিধায়কে জানায়নি জানালে বিষটি খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো।

