জলপাইগুড়ি, ২৫ মার্চ :
উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চতুর্থ বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে উন্নয়নকেই হাতিয়ার করেছেন তিনি। এদিন প্রায় ২৫ মিনিটের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী যেমন রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন পাশাপাশি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও সরব হন।
বক্তব্যের শুরুতে ময়নাগুড়ির জন্য যা যা করা হয়েছে তা তুলে ধরেন। এরপর নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মধ্যরাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সংবিধান মানা হচ্ছে না,ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে আছি এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দিব না। বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে আরো বলেন, বাড়িতে পাকা ঘর, স্কুটি, টিভি থাকলেই কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান সহ কোনো সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। আর আমরা সবাইকে লক্ষীর ভান্ডার দেই। যতদিন জীবন ততদিন লক্ষীর ভান্ডার পাবেন।
চা বাগানে পাট্টা, রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ সবকিছু সুবিধা পাওয়া রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসাথী সবার জন্য আর তা রাজ্য সরকারের টাকায় দেওয়া হয়। তিনি বিজেপিকে আক্রমণ করে আরো বলেন,
ওরা মানুষের জীবন কাড়ে, আমরা জীবন গড়ে দেই।এখন গ্যাসের জন্য মানুষকে। লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। কারণ গ্যাস বেলুনের গ্যাস বেড়িয়ে গেছে। এর আগে নোটবন্দির সময় মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছিল। এক হাজার টাকা খরচ করে আধার কার্ড বানিয়ে এখন ওরা বলে আধার কার্ড ভোটাধিকার নয়।
পাশাপাশি গত কয়েকদিনে একটানা অকাল বৃষ্টির কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন আলু চাষীরা। তাই বৃষ্টির কারণে যে আলু চাষীদের ক্ষতি হয়েছে তাদের বিমার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বক্তব্যে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, বাইরে থেকে লোক এনে ভোট করানোর চেষ্টা করতে পারে তার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। পাশাপাশি তা মা বোনেরা আটকে দেবে বলেও বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, মাছ মাংস খাওয়া নিয়ে বাধা দিয়েছে ওরা এবার হয়তো এবার হয়তো বলবে মেয়েরা শাড়ি পরবে না।
ওরা এন্টি বাংলা বলেও কটাক্ষ করেন।
তিনি আরো বলেন, আই রেসপেক্ট সেন্ট্রাল ফোর্সেস, বাটি
ম্যান পাওয়ার ইজ রিয়েল পাওয়ার।
তিনি সুকান্ত মজুমদারকে আক্রমণ করে বলেন, আমাদের প্রার্থী রামমোহন রায়কে গাছে বেঁধে পেটানো হবে একজন বলেছেন। সেই গাছটাও আমাদের।
তিনি আরো বলেন, আমি মানুষের জন্য রাস্তা থেকে সুপ্রীম কোর্টে পর্যন্ত যাই। আমি এখানে বন্যা সাইক্লোনে এসেছি, আমি বলি কম, কাজ করি।আর ওরা বসন্তের কোকিল, ইলেকশনের সময় আসে এবং ইলেকশন শেষ হলে পালিয়ে যায়।

