মাথাভাঙ্গা , ১২ আগস্ট
মাথাভাঙ্গা-১ নম্বর ব্লকের হাজরাহাট-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান ও উপপ্রধান গঠনকে কেন্দ্র করে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হল। প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এদিন নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হন। প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন নিপন্না বর্মন এবং উপপ্রধানের দায়িত্ব পান স্বপন দাস।
প্রধান ও উপপ্রধান গঠনকে কেন্দ্র করে গ্রাম পঞ্চায়েত চত্বরে বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে এবং গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। পরে উপস্থিত কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৪ আসন বিশিষ্ট হাজরাহাট-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ছিল। তৃণমূল ১১টি আসনে জয়লাভ করে, আর বিজেপি জয় পায় তিনটি আসনে। তৎকালীন প্রধান ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিনামা বর্মন এবং উপপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন হাসেম আলী।
পরবর্তীতে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের মতো হাজরাহাট-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনামা বর্মনও পদত্যাগ করেন। এরপর প্রশাসনের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী এদিন নতুন করে প্রধান ও উপপ্রধান গঠন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে কার্যত বিজেপির হাতে গেল হাজরাহাট-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিচালনার দায়িত্ব।
নবনির্বাচিত প্রধান নিপন্না বর্মন বলেন, সাধারণ মানুষের রায়ে তিনি পঞ্চায়েত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তাঁকে প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন তিনি।
অন্যদিকে, নবনির্বাচিত উপপ্রধান স্বপন দাস বলেন, আজকের এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর বার্তাকে সামনে রেখে আগামী দিনে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে তাঁদের। দল তাঁদের উপর যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থা পূর্ণ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

