কোচবিহার, ২৫ আগস্ট
কে এই নাবালিকা? কৃষ্ণপুরের বাড়িতে পৌঁছে তদন্তকারীরা… আটক পরিবারের কয়েকজন
রাস্তার পাশে এক নাবালিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল তুফানগঞ্জের দেওচড়াই সন্তোষপুর এলাকায়। শনিবার সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, রাতের অন্ধকারে ওই নাবালিকাকে অন্য কোথাও খুন করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। যদিও ঠিক কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
রাস্তার পাশে রক্তাক্ত দেহ… কীভাবে সেখানে পৌঁছল?
দেওচড়াই সন্তোষপুর এলাকায় রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নাবালিকার দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং দেহটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি খুন বলে সন্দেহ করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। পুলিশ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।
পরিচয় মিলল, তারপরই তদন্তে নতুন মোড়
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, মৃত নাবালিকার বাড়ি তুফানগঞ্জের কৃষ্ণপুর এলাকায়। তদন্তের স্বার্থে পরিবারের বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে কেন ওই নাবালিকার মৃত্যু হল? তাঁকে কি অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল? নাকি দেওচড়াই সন্তোষপুর এলাকাতেই ঘটেছিল ঘটনা?
এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শনাক্তকরণ
শনিবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মৃতদেহ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এরপর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কোচবিহার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। নাবালিকার মৃত্যুর পিছনে আসল কারণ কী এবং এই ঘটনার সঙ্গে কারও যোগ রয়েছে কি না—এখন সেই রহস্যেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

