শিলিগুড়ি, ৯ জানুয়ারী :
দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পেয়ে চরম দুর্দশার মুখে শিলিগুড়ি পলিটেকনিক কলেজের অস্থায়ী কর্মীরা। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এই অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন সাফাই কর্মী, ইলেকট্রিশিয়ান সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা।
বহুবার আবেদন-নিবেদন করেও বকেয়া বেতনের কোনও সুরাহা না হওয়ায় শুক্রবার বাধ্য হয়ে ধর্নায় বসেন কর্মীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গোটা কলেজের চাবি প্রিন্সিপাল ইন চার্জের হাতে তুলে দেন তাঁরা।
এই বিষয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল ইন চার্জ প্রদীপ কুমার বসু জানান, বিষয়টি তাঁদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নেই। তিনি বলেন, “কর্মীরা চাবি জমা করে দিয়েছেন। যে এজেন্সির মাধ্যমে এই অস্থায়ী কর্মীরা কাজে যোগ দিয়েছেন, তারা যদি কন্ট্রাক্ট রিনিউ না করে, তাহলে কর্মীদের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।”
অস্থায়ী কর্মী অন্নপূর্ণা দে বলেন, “তিন মাস ধরে বেতন পাই না। কীভাবে সংসার চালাব, বুঝতে পারছি না।”
অন্যদিকে এই বিষয়ে জয় চক্রবর্তী কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্য সরকার সরকারি টাকায় খেলা করে, মেলা করে, কিন্তু অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দিতে অপারগ। তিন মাসের বেতন বকেয়া, কর্মীরা জানে না তারা কী খাবে।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে অস্থায়ী কর্মীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে চরম অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এখন দেখার, কবে এবং কীভাবে মিলবে কর্মীদের প্রাপ্য বেতন।

