১৫/০৫/২০২৫
ওয়েব ডেস্ক:
অপারেশন সিদুরের পরে রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এস ৪০০ খুব সফলভাবে সুরক্ষা দিয়েছে ভারতবর্ষকে। এর পরবর্তীতে রাশিয়ার পক্ষ থেকে ভারত সরকারের কাছে এস ৫০০ যৌথ প্রযুক্তিতে উৎপাদন করার জন্য আবেদনও করা হয়। কিন্তু বর্তমানে নতুন ভারত কতটা শক্তিশালী সামরিক দিক থেকে তা আপনাদের সামনে আজকে তুলে ধরবো। ভারতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি লেজার অস্ত্র কালি কতটা শক্তিশালী তা আমরা আপনাদের সামনে স্পষ্ট করব। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির লেজার অস্ত্র কালী ঘুম কেড়ে নিয়েছে আমেরিকার চীন বিভিন্ন শক্তিধর দেশের। তবে বলা বাহুল্যই পাকিস্তানের মতো জঙ্গিবাদী দেশ কিভাবে ভারতের সাথে টক্কন নেয় ভারত বর্তমানে সামরিক দিক থেকে দিনের পর দিন অত্যাধুনিক অস্ত্রের মাধ্যমে সুসজ্জিত করে নিজেকে শক্তিশালী করে তুলছে। আর অন্যদিকে না খেতে পাওয়া আর্থিক সংকটে ভুগতে থাকা পাকিস্তান ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে চায় সত্যিই যেন রঙ্গমঞ্চের এক হাস্য পাত্র পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ। আসুন পরিচয় করিয়ে দেই ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কালি 5000
ভারতের কালি-৫০০০ থেকে নির্গত “ইলেকট্রন বিম মাইক্রোওয়েভ বিকিরণে” পরিণত হয়ে মুহুর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে পৃথিবীর যে কোন অস্ত্র”
শত্রুদের যে কোনো হামলা রুখতে তৈরি ভারতের ‘কালি-৫০০০’। এই ধরনের হাতিহার বিশ্বে আর কোনো দেশের হাতেই নেই।আমেরিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশের হাতে লেসার অস্ত্র থাকলেও ভারতের তৈরি এই “মাইক্রোওয়েভ বিম” সেই সব লেসার অস্ত্র চাইতে অনেক শক্তিশালী এবং ভয়ঙ্কর।এই উন্নতমানের সব চেয়ে অধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের কষ্টের ফসল। এই “কালী” ক্ষেপণাস্ত্রটির পুরো নাম ‘কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়র ইনজেক্টর’। যাকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘কালী’। অর্থাৎ মা কালী কেমন আমাদের সবাইকে রক্ষা করে চলেছেন তেমনি এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতকে রক্ষা কবে শত্রুদের হাত থেকে।
আকাশ পথে হওয়া যে কোনো আক্রমণ যেমন বিমান হামলা,মিসাইল হামলা নিমেষেই ঝলসে দিতে পারে ভারতের তৈরি এই ‘কালি’। সেই 1985 থেকে শক্তি বৃদ্ধি করতে করতে ‘কালি’ এখন এমন শক্তিতে পরিণত হয়েছে যা শত্রু পক্ষের মহাকাশে ভাসমান কৃত্রিম উপগ্রহকেও চোখের পলকে ধ্বংস করতে পারে।
1985 সালে ‘কালি’ তৈরি শুরু করে ভারত। প্রথমে এর কর্মক্ষমতা সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানানো হয়নি। শিল্পের প্রয়োজনে ভারত নতুন প্রযুক্তির লিনিয়ার ইনজেক্টর তৈরি করছে বলে জানানো হয়েছিল। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে কালির অন্তর্ভুক্তি হওয়ার পর গোটা বিশ্বের টনক নড়ে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এই হাতিহার কে পরমানু হাতিহার এর থেকেও ভয়ানক বলে দাবি করে। কালি যখন প্রথম তৈরি হয়েছিল, তখন তা ০.৪ গিগাওয়াট শক্তির ইলেকট্রন স্রোত নিয়ে আঘাত করার ক্ষমতা রাখত। পরে এই ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে ঘটাতে কালি-৫০০০ বলে যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তা বহুগুণ বেশি শক্তিশালী।
৪০ গিগাওয়াট শক্তির ইলেকট্রন স্রোত ছাড়তে পারে ‘কালি-৫০০০’। এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমান ধেয়ে আসছে দেখলেই, তাকে লক্ষ্য করে অসংখ্য ইলেকট্রন কণার তীব্র গতিবেগসম্পন্ন স্রোত ছাড়বে কালি-৫০০০।এই ইলেকট্রন কণার স্রোত প্রচণ্ড তপ্ত এবং বিদ্যুৎবাহী। সেই তপ্ত কণার স্রোত বা রশ্মি তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণে পরিণত হবে। সেই বিকিরণ মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা মাইক্রোওয়েভের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম।
কালি-৫০০০ থেকে নির্গত ইলেকট্রন স্রোত শেষ পর্যন্ত পরিণত হবে মাইক্রোওয়েভ বিকিরণে। এই মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে গ্রাস করবে ছুটে আসা যে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমানকে।লেজার অস্ত্র দিয়েও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা যায়। কিন্তু লেজার রশ্মি ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত করে তাতে ছিদ্র তৈরি করে সেটিকে ধ্বংস করে।এই পদ্ধতি সময় সাপেক্ষ। কালি-৫০০০ যে মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ ছাড়ে, তা ছুটন্ত ক্ষেপণাস্ত্রের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রটি ঝলসে যাবে চোখের নিমেষে আকাশেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

