আলিপুরদুয়ার, ২৯ মে:
প্রায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পরে শুক্রবার কালচিনি ব্লক স্বাস্থ্য দফতর কার্যালয়ে হল রোগী কল্যান সমিতির বৈঠক। উঠে এলো ব্লকের একমাত্র হাসপাতালে পানীয় জলের সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাও। রাজ্যে বদলের পর হাসপাতালের পরিকাঠামো বদলের আশ্বাস কমিটির সদস্যদের।এরপূর্বে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সক্রিয় ছিল কালচিনির রোগী কল্যান সমিতি।সে সময় নির্বাচনের পূর্বে সমিতির চেয়ারম্যান সহ বেশ কয়েকজন যোগদান করেন বিজেপিতে।যার পরে নির্বাচনের পরে আর সক্রিয় হয়নি এই রোগী কল্যান সমিতি।এবার রাজ্যে পালা বদলের পর এই রোগী কল্যাণ সমিতিকে সক্রিয় করতে মরিয়া বর্তমান রাজ্যের শাসক দলের প্রতিনিধিরা। এখনও এই কমিটির নতুন চেয়ারম্যান নিযুক্ত না হলেও বিধায়কের নির্দেশে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের নিয়ে এদিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।যেখানে ব্লক স্বাস্থ্য অধিকারিক শ্রীকান্ত মন্ডল সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য, ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন।মূলত এদিনের এই বৈঠকে দীর্ঘ বেশ কয়েকমাস ধরে চলা হাসপাতালের পানীয় জলের সমস্যার কথা উঠে আসে। যার কারনে হাসপাতালের অনেক রোগীকেই বাইরে থেকে জল কিনে পান করতে হচ্ছে বলেও দাবি। ফলে সমস্যায় পড়ছেন চা বাগান, বনবস্তির মতো প্রত্যন্ত এলাকা থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।এরপূর্বে এ নিয়ে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরে অভিযোগের পর সেখান থেকে সমস্যা সমাধানের কিছু কাজ হলেও তা সফল হয়নি বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। যার জেরে জলের অভাবে বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের একটি শৌচালয়ও।পাশাপাশি, মিটিং ঘরেরও বেহাল দশা, বৃষ্টিতে সেই ঘরের ছাদ থেকে চুইয়ে পরে জল, ফলে বৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও ব্যাঘাত ঘটে বলে দাবি। পাশাপাশি,হাসপাতালে পার্কিং এরও সুব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ।সকল বিষয়ে এদিনের বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
এ বিষয়ে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য রুদ্র মন্ডল বলেন, “পূর্বের সরকারের আমলে কোনো কাজই ঠিকমতো হয়নি।আমাদের প্রধান লক্ষ হাসপাতালের এই জলের সমস্যা সমাধান করা।যার কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে।এছাড়া এক এক করে দ্রুত বাকি সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করবো আমরা।”

