শিলিগুড়ি ,১৪ আগস্ট
পালা বদল হলেও লাইন যেন পিছু ছাড়ছে না সাধারণ মানুষের। কখনও ডিবিটি সংক্রান্ত পরিষেবার জন্য, কখনও বিভিন্ন সরকারি যোজনার কাজে—এবার রান্নার গ্যাসের e-KYC ঘিরে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিসের বাইরে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। ১৬ আগস্টের মধ্যে e-KYC সম্পন্ন না করলে গ্যাসের জন্য প্রায় ২ হাজার টাকা দিতে হবে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বহু গ্রাহক।
শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসের বাইরে সকাল থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকেরা। তবে e-KYC নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্কের মধ্যে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করেছেন নর্থ বেঙ্গল সিকিম ইন্ডিয়ান ডিস্ট্রিবিউটরদের সেক্রেটারি কৌশিক সরকার। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। গ্যাস ডেলিভারির পর গ্রাহকের বাড়িতে যে স্লিপ দেওয়া হয়, তার নিচে e-KYC সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ থাকে। যাঁদের e-KYC প্রয়োজন, তাঁরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের সাহায্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন।
কৌশিক সরকারের দাবি, ১৬ আগস্টের পর প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার টাকা হয়ে যাবে—এমন কোনও সার্কুলার এখনও তাঁদের কাছে আসেনি। ফলে শুধুমাত্র গুজবের ভিত্তিতে আতঙ্কিত হয়ে ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে ভিড় না করার আবেদন জানানো হয়েছে।
এদিকে, সরকারি তথ্য অনুযায়ী e-KYC মূলত যাঁদের LPG সংযোগে এখনও আধার-ভিত্তিক biometric authentication সম্পন্ন হয়নি, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের আগের ব্যাখ্যাতেও বলা হয়েছে, e-KYC বিনামূল্যে করা যায় এবং refill সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে—এমন কোনও সাধারণ নির্দেশ নেই।
তবে ১৬ আগস্টের সময়সীমা নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে নিজেদের e-KYC-এর বর্তমান স্ট্যাটাস যাচাই করাই এখন সব

