জলপাইগুড়ি, ১ জুন:
আজ ১ জুন থেকে জলপাইগুড়িতে চালু হয়ে গেল সেচ দফতরের কন্ট্রোলরুম। প্রতিবছর বর্ষার আগে এই কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়। যদিও এ বছর আবহাওয়ার খামখেয়ালি।
কারণে উত্তরবঙ্গে বর্ষা আসবে কিছুদিন বাদে। একদিকে উত্তরবঙ্গের সমতলের সব জেলায় চলছে দাবদাহ অবস্থায়।
তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই। উত্তবঙ্গের প্রাকৃতিক কারণে বর্ষার মাস ধরা হয়ে থাকে জুন ও জুলাই মাসকে। এই কারণে ১ জুন থেকে শুরু হয়ে গেল আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতির উপর নজরদারি করতে কন্ট্রোলরুম। এই কন্ট্রোলরুমে ২৪ ঘণ্টা সেচ দফতরের কর্মী ও আধিকারিকরা থাকবেন। জলপাইগুড়ির কন্ট্রোল রুম থেকেই উত্তরবঙ্গের চার জেলা জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং দার্জিলিংয়ের শিলিগুড়ির নদীর উপর নজরদারি চলবে বলে সেচ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিকা করতে একাধিক নদীতে বাঁধ নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এর জেরে নদী সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি হওয়ার সম্ভবনা অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী সেচ দফতর। উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি। পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি হলেই সমতলের সব নদীর জলস্তর যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি বন্যা পরিস্থিতি দেখা যায়। এই কারণে সিকিম ও ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে দাবি সেচ দফতরের। বর্ষা ঢুকতে কয়েকদিন দেরি রয়েছে, তবে কয়েকদিন তাপমাত্রা যথেষ্ট বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সেচ দফতরের কন্ট্রোলরুম চালু করা হল। সেচ দপ্তরের উত্তর পূর্ব বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক বলেন, “বর্ষা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নিয়মিত আমরা সিডব্লুসি, আইএমডি, এনএইচপিসি সঙ্গে যেমন যোগাযোগ রাখা হবে তেমনি কলকাতারর কেন্দ্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতরে যোগাযোগ রাখা হবে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষর সঙ্গে কন্ট্রোল রুম থেকে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে।”

