১৭/০৫/২০২৫
ওয়েব ডেস্ক:
১৬ই মে ২০২৫ তারিখে, বিওপি অর্জুন, সি কোম্পানি, ০৬ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে একজন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করে, যখন সে বিওপি অর্জুনের বেড়াবিহীন এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সেই সময় কর্তব্যরত সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা তাকে আটক করে। জানা গিয়েছে যে, ওই ব্যক্তির নাম সেলিম উদ্দিন উরফে সেলিম আনসারি।বয়স ৩৩ বছর, তিনি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানা, মাজার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পিতার নাম মোহাম্মদ আবুল বাসার। ওই ব্যক্তিকে আটক করার পর বিএসএফ সদস্যরা তার কাছ একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ভারতীয় মুদ্রার পরিমাণ ৪০ টাকা। যা বাংলাদেশী মুদ্রার পরিমাণ ৩০০০ টাকা হবে। বিএসএফ কর্তৃক দাখিল করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে, বিদেশী আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় কুচলিবাড়ি থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভারতীয় আইনের দণ্ডবিধির ধারায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাশ্মীরে পেহেলগাঁও হামলার পরবর্তীতে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে অপারেশন সিঁদুর জারি করে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাটি গুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং ভারতে দীর্ঘদিন থেকে বসবাসকারী পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাগরিক এবং অনুপ্রবেশকারীদের ভারত থেকে বিতাড়িত করা হয়। বেশ কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। এমত অবস্থায় সংকট বুঝতে পেরেই হয়তো প্রশাসনের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে গিয়ে কোনরকম ভাবে অন্তর রাষ্ট্রীয় সীমান্তে পৌঁছে যায়। এরপর ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল সেলিম আনসারী কিন্তু ভারতীয় বিএসএফ জওয়ানদের কাছে সে ধরা পড়ে যায়। তবে দেখার বিষয় বারংবার কেন্দ্রীয় সরকার এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে প্রচুর অবৈধ বাংলাদেশি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কর্মসূত্রে বসবাস করছে তাদেরকে সেই রাজ্যের রাজ্য সরকার চিহ্নিত করে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। যারা মানতে নারাজ ভারতবর্ষে কোনরকম অবৈধ বাংলাদেশের নাগরিকের অনুপ্রবেশ ঘটেনি তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই কুচলী বাড়ির ঘটনা।

