জলপাইগুড়ি,৩০ মে
জলপাইগুড়িতে বিজেপি কর্মীদের মারধরের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। ঘটনায় অভিযুক্ত ও পলাতক কৃষ্ণ দাসের আরও এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী আনসার আলিকে গ্রেফতার করেছে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এই গ্রেফতারের পর মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণ দাস-সহ বাকি অভিযুক্তদেরও শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে জলপাইগুড়িতে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস এবং তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের পর থেকেই কৃষ্ণ দাস গা-ঢাকা দেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন অভিযুক্তও আত্মগোপন করে বলে পুলিশের দাবি।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্তদের মধ্যে ডেঙ্গুয়াঝাড় চা বাগান এলাকার বাসিন্দা আনসার আলিও পলাতক রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, আনসার আলিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক কৃষ্ণ দাস ও অন্যান্য অভিযুক্তদের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই গ্রেফতার মামলার তদন্তে নতুন গতি আনবে।
যদিও গ্রেফতারের পর আনসার আলির দাবি, তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি, তিনি নিজেই আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে এই বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।
এদিকে, ঘটনার মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণ দাস এখনও অধরা। তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, আনসার আলির গ্রেফতারের সূত্র ধরেই খুব শীঘ্রই কৃষ্ণ দাস ও বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

