শিলিগুড়ি, ২ মে :
ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শিলিগুড়িতে পরিদর্শনে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থীরা। শনিবার সকালে শিলিগুড়ি কলেজে অবস্থিত স্ট্রং রুমে যান তাঁরা।
এদিন উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অলোক ধারা, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের প্রার্থী অমিতাভ সরকার এবং ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রের প্রার্থী নবনীতা তির্কি।
পরিদর্শনকালে প্রার্থীরা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিসিটিভি নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন পরবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ভোটযন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেন তাঁরা।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ গণনা প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে এই ধরনের পরিদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আলোক ধারা বলেন, “ম্যাটারটা দেখলে খারাপ লাগে যে আমাদের এত হেলদি ডেমোক্রেসি এবং এতবড়ো ওয়ার্ল্ডের মধ্যে সবথেকে বড় ডেমোক্রেটিক কান্ট্রি আমরা ইন্ডিয়াকে বলি। সেখানে নির্বাচন কমিশন সঙ্গে অফিসিয়ালস যারা যুক্ত আছে তাদের উপর অবিশ্বাসের যে একটা বাতাবরণ এটা খুবই আশ্চর্যের। মানে অবাক লাগে যে এরকম একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যার জন্য প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলকে আসতে হচ্ছে এবং ভিজিটিং করতে হচ্ছে। সাসপিসিয়াস একটা ম্যাটার তৈরি হয়েছে, এটা হওয়া উচিত ছিল না। আরও নিরপেক্ষভাবে আর সঠিকভাবে নির্বাচন কমিশন এবং সরকার যদি এর পরিচালনার দায়িত্বটা থাকতো তাহলে হয়তো এত অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হতো না। আমরা আসলাম ঠিকই বিশ্বাস তো আমাদের আছে এবং রাখতেই হবে। ডেমোক্রেসিতে যদি নির্বাচন কমিশনের ওপর বিশ্বাস না থাকে তাহলে কার উপর বিশ্বাস রাখবো। কিন্তু তারপরও যখন এত অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে তখন তো কোথাও না কোথাও একটা খামতি হচ্ছে। যার কারণে আমরা আসলাম দেখলাম মানে সঠিকভাবেই আছে যেটা আমাদের রন্টুবাবু বললেন যে, সেরকম অর্থেই যদি রাখতে হতো তাহলে কালো কাঁচওয়ালা গাড়িগুলো আসছে সেগুলো কিন্তু প্রপারভাবে চেক হচ্ছে না। আমি বলছি না যে কিছু হচ্ছে কিন্তু চেকিং যদি করতেই হয় তাহলে প্রপারলি গাড়ির মধ্যে কি আছে না আছে সেটা চেক করেই ঢোকানো উচিত ছিল। সেটাও আমরা বলেছি। আল্টিমেটলি আমাদের বিশ্বাস,ডেমোক্রেটির উপর আমাদের বিশ্বাস আছে। এটা সবকিছু ঠিকঠাকই হবে।”

