আলিপুরদুয়ার,৭ জানুয়ারী :
হাতির খুব একটা মুখে রোচে না সরষে, এই চাষের সময় এলাকায় অনেকটাই কমে যায় হাতির আনাগোনাও বলে দাবি কৃষকদের। ফলে কালচিনি ব্লকের জঙ্গল সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও বাড়ছে সরষে চাষ।পাশাপাশি, মৌমাছিকে ঢাল করেও মেন্দাবাড়ির রাভা বস্তির মতো জলদাপাড়া জঙ্গল ঘেরা এলাকায় প্রতিবছর বেড়ে চলেছে এই চাষের সংখ্যা। এই চাষ লাভজনক হওয়ায় এবং হাতি এই ফসল নষ্ট না করায় বন্যপ্রাণীর তান্ডবে চাষ ছেড়ে দেওয়া কৃষকেরাও ফের কৃষকাজ মুখ হচ্ছেন বলেও দাবি। কালচিনি ব্লকের মেন্দাবাড়ির মতো জঙ্গলঘেরা এলাকাগুলোতে হাতির হামলা প্রায় নিত্য দিনের ঘটনা। বুনোদের তাণ্ডব থেকে ফসল বাঁচাতে গিয়ে নাজেহাল চাষিরাও। হাতির খাদ্য তালিকায় রয়েছে, এমন কোনও ফসলই চাষ করে ঘরে তুলতে পারেন না কৃষকেরা। তাই কয়েক’শো বিঘা জমিতে সরষে চাষ করছেন কালচিনি ব্লকের জলদাপাড়া ও বক্সা ব্যায় প্রকল্পের জঙ্গলে ঘেরা এলাকার বাসিন্দারা। কৃষকেরা জানিয়েছেন, সরষে খেতে প্রচুর মৌমাছি ঘুরে বেড়ায়। তাই, হাতিরা খেতমুখো হতে ভয় পায়। ফলে, খেতের ফসল বাঁচাতে বিশেষ বেগ পেতে হয় না কৃষকদের। এই সরষে চাষের সময় এলাকায় হাতির হানাও অনেকটাই কমে যায় বলেও দাবি কৃষকদের।ফলে অন্যান্য চাষের তুলনায় এই সরষে চাষে অনেকটাই আগ্রহ দেখাচ্ছেন কৃষকেরা। কালচিনি ব্লক জুড়ে বর্তমানে প্রায় ২৮০০ হেক্টর জমিতে এই চাষ হচ্ছে বলেও কৃষি দফতর তরফে জানানো হয়।

