আলিপুরদুয়ার, ৬ ফেব্রুয়ারী :
চিরাচরিত চাষের বদলে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরষে, ভুট্টার মতো বিকল্প চাষে আয়ের পথ দেখাচ্ছেন এদেশের কৃষকেরা। সেটাই সরজমিনে খতিয়ে দেখতে কালচিনি ব্লকের দক্ষিণ মেন্দাবাড়িড বিভিন্ন চাষের জমিতে পরিদর্শনে এলেন অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, নেপাল সহ একাধিক দেশের এক প্রতিনিধিদল। দেখলেন চাষের পদ্ধতি, কথা বললেন কৃষকদের সাথেও।মূলত এই এলাকার একাধিক জমিতে কৃষি দফতরের সহায়তায় জমিতে কোনো চাষ ছাড়াই যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চারা, বীজ রোপণ করে চাষাবাদ হচ্ছে।পাশাপাশি, জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকায় চাষের জমিতে বন্যপ্রাণীর তান্ডব নিত্যদিনের ঘটনা।তাকে উপেক্ষা করে কীভাবে কৃষকেরা চাষাবাদ করে চলেছেন তা সেটাও খতিয়ে দেখেন ভিন দেশ থেকে আগত বিজ্ঞানীরা,সাথে ছিলেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অধ্যাপক ও কৃষদফতরেএকাধিক আধিকারিকরা।মূলত উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়জন করা হয়।যেখানে অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টর (এসিআইআর), এডিলেড বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক দেশ থেকে প্রতিনিধি দল পরিদর্শনে আসেন। মূলত জঙ্গল ঘেরা এরকম প্রত্যন্ত এলাকায়ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কীভাবে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন সেটাই এদিন তুলে ধরা হয় তাদের সামনে।এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত এসিআইআর ম্যানেজার লে ভিয়াল জানান, কীভাবে সকল প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে এই প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকেরা চাষাবাদ করছেন সেটাই আমরা দেখতে এসেছি। তাদের চাষের পদ্ধতি দেখে আমরাও মুগ্ধ।”এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিপ্লব মিত্র বলেন, “এই প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরাও যে যান্ত্রিক পদ্ধতির সাহায্যে চাষাবাদ করে লাভবান হচ্ছেন সেটাই এদিন দেখেন তারা।এছাড়া সরষে চাষের জমিতে মৌমাছি থাকায় বন্যপ্রাণীর উপদ্রব অনেকাংশেই কমে যায় এবং এই চাষ করে কৃষকেরা লাভবানও হন সেটাও এদিন আগ্রহের সাথে দেখেছেন তারা।”

