২২/০৫/২০২৫
ওয়েব ডেস্ক:
শত্রু পক্ষ পাকিস্তান বরাবরই ভারতে ধ্বংস-ইনা চালানোর জন্য সদা প্রস্তুত হয়ে থাকে পেয়ালগাও হামলার পরবর্তীতে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার জন্য ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে চালানো হয় অপারেশন সিঁদুর। অপারেশন সিঁদুরের জেরে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি এবং পাঁচের অধিক এয়ারবেস ধ্বংস হয়ে যায় দাসত্ব যেন পাকিস্তান ভারতকে ধ্বংস করার স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ হয়ে রয়েছে। তবে প্রশ্ন একটাই পাকিস্তানকে এমন উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত যাতে পরবর্তীতে ঘুরে দাঁড়াতে না পারে কারণ বারংবার তারা ভারতের বিরুদ্ধে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে মত্ত হয়ে থাকেন। গোয়েন্দা সুত্রের খবর অনুযায়ী আইএসআই এজেন্ট আনসারুল মিয়া আনসারি-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জানুয়ারিতে গোয়েন্দারা সূত্র মারফত জানতে পারেন, একজন আইএসআই গুপ্তচর শীঘ্রই নেপাল হয়ে ভারতে ঢুকবে। তার উদ্দেশ্য, ভারতের সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, ছবি এবং ম্যাপ ও অন্য তথ্য সংগ্রহ করা। গোয়েন্দারা জানতে পারেন, দিল্লিতে হামলার পরিকল্পনা প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল। হামলা সফল করতে বিভিন্ন তথ্য জোগাড় করছিল আইএসআইয়ের এজেন্টরা। এর মাঝেই নেপাল রুট ব্যবহার করে ভারত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মুখে দিল্লিতে সামরিক-সম্পর্কিত নথিপত্র সহ গ্রেপ্তার করা হয় আনসারিকে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় পাক-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এবং তাদের লজিস্টিক সহায়তা প্রদানকারী স্লিপার সেল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে দেন গোয়েন্দারা।আনসারি গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলিশ অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করে। আনসারিকে জেরা করেই রাঁচির আখলাক আজম নামে এক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আখলাক মূলত আনসারিকে লজিস্টিক সাপোর্ট দিত। দু’জনের মোবাইলে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, আনসারি ২০০৮ সাল থেকে কাতারে ট্যাক্সি চালাত। আনসারির বয়ান অনুযায়ী, সেখানেই প্রথম আইএসআই এজেন্টরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

