জলপাইগুড়ি , ২জুলাই
সরকার গঠনের পর থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার নাম পরিবর্তন হতেই দুশ্চিন্তায় ছিলেন মহিলারা।তারপরেও অন্নপূর্ণা প্রকল্পে টাকা ঢুকছিল না বলে অনেকেই আশা ছেড়েছিলেন।কিন্তু ১ জুলাই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েই অকাল হোলির রঙে মেতে উঠলেন সংখ্যালঘু মহিলারা। জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় চৌধুরী পাড়ার সংখ্যালঘু মহিলারা পুরুষ নির্বিশেষে গেরুয়া আবির খেলে অকাল হোলিতে উৎসবের মেজাজ চড়ান।
জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভার স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান আলি দাবি করে বলেন, আমাদের বুথে যারা অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপ করেছিল তারা সবাই টাকা পেয়ে গেছেন। আমরা ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারিকে। আজ আমরা সবাই অকাল হোলিতে মাতলাম।
এক সংখ্যালঘু মহিলা রুকসানা বেগম বলেন, আমাদের অনেকেরই ভাবনা ছিল আমাওরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবে না। কিন্তু আমরা সবাই পেয়েছি। তাই আমরা আবির খেলে আনন্দ করছি। ৩ হাজার টাকা পাচ্ছি।তাহলে আমরা এবার বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে জামাকাপড় কেনার জন্য খুব উপকার হল।
রেজিনা বেগম জানান, অন্নপূর্ণা যোজনায় যারা আবেদন করেছিলেন সবাই টাকা পেয়েছে। তাই আজ আনির খেলে সবাই মিষ্টিমুখ করছে।
আজাদ আলি বলেন, আজ আমাদের একটা খুশির দিন।যারা মিথ্যা রটনা করেছিল তাদের জবাব দেওয়ার দিন।ভোটের আগে শুভেচ্ছা অধিকারি বলেছিলেন ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে তিনি কথা রেখেছেন অনেকেই বলেছিল আমরা টাকা পাব না।আগে ভেদাভেদ ছিল।এখন সবাই সমান ভাবে টাকা পাচ্ছে৷ তাই আমরা খুশি প্রকাশ করছি।

