মাথাভাঙ্গা , ৩০ মে
অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে ছাদ দেওয়া পাকা ঘর থাকার পরও ব্যবহার করা হচ্ছিল না সেই ঘর।তালা বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছিল বেশ কয়েক বছর ধরে।ফলে শিশুদের জন্য খাবার রান্না করা হতো পাশের এক বাড়িতে।জানা গেছে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের ঘর যখন ছিলো না তখন থেকেই একটি বাড়িতে রান্না করা হতো আর সেখানেই বাচ্চাদের পড়াশোনা শেখানো হতো।তবে ২০১৭-১৮ অর্থ বর্ষে ছাদ দিয়ে পাকা ঘর তৈরি হয় সেই বাড়ির পাশেই।তবে ছাদ দেওয়া পাকা ঘর তৈরি হলেও ঘর তৈরির কেটে গিয়েছে প্রায় ১০ বছর।ব্যবহার করা হয়নি একদিনের জন্যও।আগে যে বাড়িতে রান্না করা হতো সেখানেই চলছিল রান্না করার পাশাপাশি বাচ্চাদের পাঠদান।ফলে নির্মিত ঘরটি তালা বন্ধ অবস্থায় থাকায় এবং ব্যবহার না করার ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।তাই নির্মিত ঘর ব্যবহার করার দাবি জানিয়ে আজ শনিবার বিক্ষোভে শামিল হন এলাকার বাসিন্দা তথা শিশুদের অভিভাবকরা।ঘটনাটি মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের জোড়পাটকী গ্রাম পঞ্চায়েতের জোড়পাটকী মাদ্রাসা ২২ নং অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশও।পুলিশ এসে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের কর্মীর সাথে কথা বলেন এবং পরবর্তীতে সেন্টার ঘরের তালা খুলে দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।আজকের পর থেকে নির্মিত অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের ঘরটি ব্যবহারের কথা বলে যান তারা।
এদিকে ওই অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের কর্মী নিলেফা ইয়াসমিন বলেন বর্তমানে যেই বাড়িতে রান্না হচ্ছে ঘর তৈরির আগে থেকেই এখানে রান্না হয়।ঘর তৈরির পর তাকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।তখন থেকে তালা বন্ধ অবস্থাতেই রয়েছে।আজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ ঘরের তালা খুলে দিয়ে ব্যবহার করার কথা বলায় খুশি তিনিও।যদিও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে বলে তিনি জানান।তিনি জানান জলের যেমন কোনো ব্যবস্থা নেই তেমনি হেল্পারও নেই এই অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে।তাই জলের ব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মীর ব্যবস্থা যাতে হয় তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানান।
সেই সাথে খাবারের গুনগত মান এবং ঠিকমতো পরিষেবা না দেওয়ার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

