দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা প্রদীপ্ত বসুকে বৃহস্পতিবার দিনহাটা মহকুমা আদালতে পেশ করল বেঙ্গল এসটিএফ। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কোচবিহারে নিয়ে আসা হয়। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে আগে গ্রেফতার হওয়া তিন ব্যক্তির সঙ্গে প্রদীপ্ত বসুর যোগাযোগের তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।
তদন্তকারীদের দাবি, ওই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম ব্যবহার করে পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করার অভিযোগ রয়েছে। প্রদীপ্ত বসুর সঙ্গে ওই নেটওয়ার্কের কী ধরনের যোগাযোগ ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি জাল ভারতীয় নোট বা FICN চক্রের সঙ্গেও তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এসটিএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শিলিগুড়িতে প্রদীপ্ত বসুর একটি মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা রয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলে বন্দি কয়েকজনের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
পুরো নেটওয়ার্ক, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য আন্তঃসীমান্ত যোগসূত্র খতিয়ে দেখতে প্রদীপ্ত বসুকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় এসটিএফ। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
Leave a Comment

