দিনহাটা, ২৩ মে :
বাড়িঘর ভাঙচুর এবং লুটতরাজের অভিযোগে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধানকে গ্রেফতার করলো সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। শুক্রবার রাতে তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত ওই গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধানের নাম ভব রঞ্জন বর্মন ওরফে ডংকার। শনিবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় প্রচন্ড চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সঙ্গে দিনহাটার বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সেই সময় দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের জনৈক অজয় অধিকারীর বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান ভবরঞ্জন বর্মনের নাম উঠে আসে। গত ২০ মে ওই এলাকার বাসিন্দা অজয় অধিকারী সাহেবগঞ্জ থানায় বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েত উপ প্রধান ভবরঞ্জন বর্মনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন রাতে উপপ্রধান ভবরঞ্জন বর্মনকে গ্রেফতার করে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। এদিন তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে ওই মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী নীহার রঞ্জন গুপ্তা বলেন, ২০২৪ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় বড়শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভব রঞ্জন বর্মন ওরফে ডংকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে অজয় অধিকারী নামে এক ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ভবরঞ্জন বর্মন ও তার দলবল অজয় অধিকারী নামে ওই ব্যক্তির বাড়িতে যায় এবং তার বাড়ি ভাঙচুর করে। তারা অজয় অধিকারীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। না দেওয়াতে তাদের হেনস্থা করা হয়। পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ভবরঞ্জন বর্মনকে গ্রেফতার করে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর চোদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

