নিজস্ব সংবাদদাতা, ৩ মে :
“২০০-র বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল”। শনিবার দলের কাউন্টিং এজেন্টদের সাথে বৈঠক করে এমনটাই দাবি জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের ফলপ্রকাশের হাতে আর মাত্র একদিন বাকি। তার আগেই স্ট্রং রুম নিয়ে চলছে তীব্র যুদ্ধ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সাখাওয়াত মেমোরিয়ার গার্লস হাই স্কুলের স্ট্রংরুমে গিয়ে থেকেছেন প্রায় চার ঘণ্টা।
শনিবার দলীয় কাউন্টিং এজেন্টদের সাথে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনায় একফোঁটাও ঢিলে দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বরা।
ভার্চুয়াল বৈঠকে তৃণমূল নেত্রী বলেন, “ভোর পাঁচটায় গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। বাইরের খাবার নেবেন না। কেউ কিছু মিশিয়ে দিতে পারে। যদি দেখেন ২০০-৩০০ ভোটে বিজেপিকে জিতিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে পুনর্গননা করতে বলবেন। যদি EVM হ্যাক করে, কাউকে ছাড়ব না। বিজেপি মানসিকতার কিছু ডেটা অপারেটার নেওয়া হয়েছে। আপনি ৪ হাজারে জিতছেন, কিন্তু ২ হাজারে হারছেন বলে দেখিয়ে দেওয়া হতে পারে স্লো কাউন্টিং করতে পারে। মধ্যরাত পর্যন্ত হতে পারে।” এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গণনাকেন্দ্রে যেন ১০ সেকেন্ডও লোডশেডিং না হয় দেখবেন। ১০ সেকেন্ডে ৫০ টা মেশিন পাল্টে দিতে পারে। যদি কোথাও লোডশেডিং হয়, দলীয় নেতৃত্বকে জানাবেন।”
এদিকে তৃণমুল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও নির্দেশ দেন, কাউন্টিং টেবিলে EVM-এর ব্যাটারি চেক করতে। ব্যাটারির ৭০ শতাংশ চার্জ থাকলে, VVPAT কাউন্টিংয়ের দাবি জানাতে। সার্টিফিকেট ছাড়া টেবিল ছেড়ে না উঠতে। কোথাও যদি তৃনমূল এজেন্টকে বসতে না দেওয়া হয় তাহলে দলীয় প্রার্থীকে সেবিষয়ে জানাতে। ভোটের সময় আক্রান্ত সকল দলীয় কর্মীদের পুরস্কার বিতরনের কথাও এদিন বৈঠকে জানানো হয়।

