জলপাইগুড়ি , ১৭ জুলাই
২০২২ সালে পৌর ভোট লুটের কন্ট্রোল রুম অবৈধ ভাবে দখল করে নির্মাণ, কড়া নোটিশ জারি তৃণমূল কার্যালয়ের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের নীতির।
জলপাইগুড়ি শহরের টাউন স্টেশন এলাকায় বিচারক দের আবাসনের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে নিকাশি নালার পথ অবরুদ্ধ করে গড়ে উঠে ছিলো জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা জলপাইগুড়ি পৌরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় এর পার্টি অফিস।
এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল ,রাত হলেই অফিসে এবং বাইরের ত্রিপোলের নিচে বসে মদের আসর, যে কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হতো এলাকাবাসী দের।
গতকাল জেলার সমাজ কর্মী নবেন্দু মল্লিক পুরো বিষয়টি সদর মহকুমা শাসকের দৃষ্টি গোচর করে প্রতিকার চান।
শুক্রবার সন্ধেয় এস ডি ও কার্যালয় থেকে রীতিমত পুলিশ বাহিনী নিয়ে স্টেশন রোডের তৃণমুল কংগ্রেস কার্যালয়ে এক নোটিশ লাগানো হয়।
যাতে এই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তদের আগামী ৩ রা আগস্ট এস ডি ও কার্যালয়ে নোটিশের জবাব দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে অভিযোগ কারী নবেন্দু মৌলিক জানান, এই তৃণমুল কংগ্রেস অফিস থেকেই ২০২২ সালে জলপাইগুড়ি পৌর সভা নির্বাচনে ভোট লুঠ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল,এবং শহর জুড়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে সারা শহরে সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছিলো।
দ্রুত পদক্ষেপ নেবার জন্য সদর মহকুমা শাসককে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
অপরদিকে এই প্রসঙ্গে সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন আমার সম্পর্কে কোনো নোটিশ জারি হয়েছে সেটি জানি না, আগে নোটিশ টা হতে পাইনি।পেলে তার পর আইনি ভাবেই তার উত্তর দেওয়া যেতে পারে, কারণ আইন সবার জন্য সমান।

