কোচবিহার, ১ মে :
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে কোচবিহারের কাছারি মোড়ে AIUTUC এর উদ্যোগে মর্যাদার সঙ্গে দিনটি পালন করা হয়। শুক্রবার সকাল প্রায় ৯টা ২০ মিনিটে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ শ্রমিকদের শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ১৮৮৬ সালের শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস স্মরণ করে বক্তারা শ্রমিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব ও স্থানীয় শ্রমিকরা।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে কোচবিহারের কাছারি মোড়ে AIUTUC-এর উদ্যোগে মর্যাদার সঙ্গে দিনটি পালন করা হয়। শুক্রবার সকাল প্রায় ৯টা ২০ মিনিটে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ শ্রমিকদের শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ১৮৮৬ সালের শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস স্মরণ করে বক্তারা শ্রমিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব ও স্থানীয় শ্রমিকরা।
AIUTUC জেলার সহ সভাপতি বিপুল ঘোষ বলেন, “ভারতবর্ষসহ পৃথিবীর দেশে দেশে আজকের এই ঐতিহাসিক মে দিবস প্রতিপালিত হচ্ছে, শ্রমিকরা প্রতিপালন করছে। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই যে দেশে আজকের এই দিনটিকে স্মরণ করা হচ্ছে না, ভারতবর্ষ তো বটেই। আমরা কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন AIUTIC আমরা ভারতবর্ষের সর্বত্র আজকের এই দিনটিকে প্রতিপালন করছি এই উদ্দেশ্যে, আগামী দিনের যে শ্রমিক আন্দোলন সেই শ্রমিক আন্দোলনকে আর সংগঠিত করাবার জন্য সংহত করার জন্য আমরা এই দিনটিকে স্মরণ করছি। আমরা মনে করি যে ১৮৮৬ সালে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিবসের দাবিতে যে শ্রমিকরা শহীদ হয়েছিলেন তাদের রক্ত আজও বিফলে যায়নি। সে লড়াই এখনো জারি আছে। আজকেও তা প্রাসঙ্গিক। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ২৯ টি শ্রম আইন কেন্দ্রীয় সরকার তুলে দিয়ে ৪ টি শ্রামকোডে পরিণত করেছে। এই বিরুদ্ধে আমরা দেশজুড়ে লড়াই আন্দোলন সংঘটিত করছি এককভাবে এবং যৌথভাবে। আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন আমরা গড়ে তুলবো এবং শ্রমিকদের আরও সংঘটিত করবো এই আহ্বান আমরা শ্রমিকদের কাছে রাখছি।”

