১২০ টাকা নিয়ে ডাইরি বিক্রির অভিযোগ। অভিযোগের তীর জলপাইগুড়ি জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সেসন শুরু হবার সাত মাস পর ডাইরি বিক্রি করার অভিযোগ। ডাইরি নিতে নারাজ অভিভাবকরা।
এদিকে কবিতা ব্যানার্জি, রঞ্জিত চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, সাত মাস পর আমরা ডাইরি নেব না। আমাদের কোন রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। একাডেমিক সেসন জানুয়ারী মাসে শুরু হয়েছে। সাত মাস পর আমাদের ডাইরি দিচ্ছে এটা কেন হবে। জানুয়ারী মাসের ডাইরি আমরা এখন কেন নেব। সাত মাস পর কেন দেওয়া হচ্ছে। আমরা ডাইরি নেব না।
অভিভাবক বুল্টি সেন জানান ডাইরি আমরা নিতে ইচ্ছুক না।ডাইরি বিক্রি করছে কিন্তু রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। স্কুলের অবস্থা খুব খারাপ।আগে এটা ছিল না।
স্কুলের শিক্ষক বাপ্পা চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের সীমাহীন দুর্নীতি একটা নিদর্শন ১২০ টাকা নিয়ে রশিদ ছাড়া ডাইরি বিক্রি। প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে একাডেমিক সেসন শুরু হবার সাথে সাথে ছাত্রদের এই ডাইরি বিনামুল্যে দিয়ে দেবার কথা কিন্তু প্রধান শিক্ষক সাত মাস পর নতুন ডাইরি ছাপিয়ে ১২০ টাকা দিয়ে বিক্রি করছেন।সরকারি ডাইরি বিনামুল্যে দেবার কথা।
এদিন জলপাইগুড়ি জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধর্মূদেব বাড়ই এর সাথে বিষয়টি নিয়ে দেখা করতে গেলে তিনি কোন কথাই বলতে রাজি নন।শুধু তাই নন অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের সাথে ডাইরি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তাদেরকে তার অফিসে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

