জলপাইগুড়ি , ৬ আগস্ট
বর্ষা এলেই বাড়তে শুরু করে মশাবাহিত রোগের আশঙ্কা। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি এবার অভিনব উদ্যোগ নিল জলপাইগুড়ি পুরসভা। রাসায়নিক ব্যবহারের পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে মশার লার্ভা ধ্বংস করতে শহরের বিভিন্ন নর্দমা ও জলাশয়ে ছাড়া হচ্ছে গাপ্পি মাছের পোনা, যা মশার লার্ভা খেয়ে বংশবিস্তার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জলপাইগুড়ি পুরসভার উদ্যোগে ১০ নম্বর ওয়ার্ড-সহ শহরের একাধিক ওয়ার্ডের নর্দমা, ড্রেন এবং জমে থাকা জলাশয়ে দফায় দফায় ছাড়া হচ্ছে গাপ্পি মাছের পোনা। বর্ষাকালে জমে থাকা জলে দ্রুত মশার লার্ভা জন্মায়। সেই লার্ভাই গাপ্পি মাছের প্রধান খাদ্য হওয়ায় প্রাকৃতিক উপায়ে মশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুরসভার কর্মীরা নির্দিষ্ট এলাকায় নর্দমা ও জল জমে থাকা স্থান চিহ্নিত করে সেখানে মাছের পোনা ছেড়ে দেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদেরও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও জল জমতে না দেওয়া এবং মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকার আবেদন জানানো হয়।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র ১০ নম্বর ওয়ার্ড নয়, আগামী কয়েকদিন ধরে শহরের অন্যান্য ওয়ার্ডেও একইভাবে গাপ্পি মাছের পোনা ছাড়ার কাজ চলবে। এর পাশাপাশি নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইড স্প্রে এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চালানো হচ্ছে।

