১৭.০৫.২৫ ওয়েব ডেস্ক:
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভেটাগুড়িতে অভিযান চালিয়ে পুন্ডিবাড়ির সাজের পারের বাসিন্দা অবিনাশ রায় নামে বয়স ২৭ এর এক যুবক কে আটক করেছে পুলিশ। যুবকের কাছ থেকে একটি ছোট ইম্প্রোভাইজড ওয়ান শুটার আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১টি ‘৩০৩ তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গেছে অবিনাশ রায়ের বাড়ি পুন্ডিবাড়িতে। ক্যাটাগুড়ি মহাকাল থাম এলাকায় সেই যুবক অস্ত্র নিয়ে এসেছিল বিক্রি করবে বলে। সে যুবক ক্রেতার সন্ধানে ছিল। গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ক্রেতা সেজে ভেটাগুড়ি মহাকাল থাম এলাকা থেকে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করে ওই যুবককে।
সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া বজায় রাখা হয়েছে। অস্ত্র আইনের অধীনে একটি নির্দিষ্ট মামলা শুরু করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন একটাই কয়েকদিন বাদে বাদেই সীমান্তবর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার কোচবিহার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে এত অস্ত্র কোথা থেকে এলো? সেটা নিয়ে উঠতে প্রশ্ন। কারণ পেহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরবর্তীতে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে অপারেশন সিদুর জারি করে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় দাঁড়িয়ে থেকে এক যুদ্ধের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরবর্তীতেই ভারত পাকিস্তান এবং ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছিল। কটা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল সীমান্তবর্তী এলাকা গুলো। এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা ও জোরদার করা হয়েছিল। তবে দুদিন আগে আলিপুরদুয়ার জেলার শামুকতলা থেকে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছিল আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের কাছে তার কাছ থেকে আগ্নেয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ধৃত সেই ব্যক্তির বাড়ি কোচবিহার জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায়।পাশাপাশি আজ ফের আজ আবার কোচবিহার জেলার ভেটাগুড়ি থেকে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এক ব্যক্তিকে আটকও করেছে পুলিশ। তবে জেলার অভ্যন্তরীণ সুরক্ষাতে কি কোন কমতি রয়েছে নাকি পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। নাকি বড় কোন নাশকতা ছক রয়েছে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

