শিলিগুড়ি, ২৬ মে:
শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় একজন মহিলাক উপর অত্যাচার ও ভয় দেখিয়ে তার থেকে 80 হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের ছেলে রাজ খানের বিরুদ্ধে। রবিবার সন্ধ্যায় রাজ খান সেই মহিলার বাড়িতে গিয়ে মহিলার ওপর জোরজবরদস্তি করার চেষ্টা করলে সেই মহিলা চিৎকার করায় সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরবর্তীতে এলাকার মানুষ অভিযুক্তকে এলাকায় ধরে ফেলে গতকাল তাকে ছেড়ে দিল। আজ গ্রামের মানুষ অভিযুক্তকে খুঁজতে মেডিকেল মোর সংলগ্ন এলাকায় তার বাবার হোটেলে এসে পৌঁছয়। স্থানীয়দের অভিযোগ হোটেলে ছেলেকে লুকিয়ে রাখেন তার বাবা। হোটেলে অভিযুক্তকে খোঁজাখুঁজি করতে আসে এলাকার মানুষ সেই সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। উত্তেজিত জনতা সেই সময় হোটেলে ভাঙচুর চালায়। খবর যায় মেডিকেল ফাঁড়ির পুলিশের কাছে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযুক্তের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন আমার বড় ছেলে কোন এক মহিলার সাথে বন্ধুত্ব ছিল কথাবার্তা বলতো রবিবার আমার ছেলেকে মারধর করা হয়। আজ সন্ধ্যায় এলাকার মণ্ডল সভাপতি সঙ্গে আরও অন্যান্যরা এসে আমার এখানে ভাংচুর চালায়। কোন কথা না শুনে আচমকায় আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়। ব্যাগে ৭০ হাজার টাকা ছিল সেই ব্যাগ খোয়া গিয়েছে এছাড়াও আমার এখানে বেশ কিছু দামি ঘড়ি ছিল সেগুলো খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগকারীনি বলেন আমার সাথে অভিযুক্তের সোশ্যাল মিডিয়া আলাপ হয়েছিল। রবিবার আমার বাড়িতে এসে আমার হাত ধরে টানাটানি করে সেই সময় আমি চিৎকার করলে সে পালিয়ে যায়। আমার সাথে সম্পর্কের ভয় দেখিয়ে আমার থেকে ৮০ হাজার টাকা নেয় অভিযুক্ত। আমি চাই আমার সাথে যা হয়েছে তার ও শাস্তি হোক। একটু বুঝুক জিনিসটা যে একটি নারীর ক্ষতি করলে কি হয়।

